ভাগ্যে যা আছে তাই কি ঘটে? দুঃখ ও চেষ্টা নিয়ে বেদবাণী ১৪৪ ও গীতার শিক্ষা #srisriramthakur

 জয় রাম জয় গোবিন্দ 🙏🏼
  জয় গোপাল জয় শ্রী শ্রী কৈবল্য নাথায় নমঃ
    🌺🌺🌺 গুরু কৃপাহি কেবলম্ 🌺🌺🌺

 

 

 
_প্রশ্ন:- গৃহস্থ্য ও গৃহমেধী কাদেরকে বলা হয়েছে? কোনটি শ্রেয়? কেন?_*
*উত্তর:-* শাস্ত্রে গৃহীদের গৃহস্থ এবং গৃহমেধী এই দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। গৃহস্থ হচ্ছেন তাঁরা, যাঁরা স্ত্রী-পুত্র সহ গৃহে অবস্থান করলেও আত্মতত্ত্বজ্ঞান লাভের জন্য পারমার্থিক চিন্তায় মগ্ন হয়ে জীবন যাপন করেন। আর গৃহমেধী হচ্ছে তারা, যারা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের স্বার্থসিদ্ধির কাজেই কেবল মগ্ন থেকে মাৎসর্যপূর্ণ জীবন যাপন করে। মেধী শব্দটির অর্থ হচ্ছে অপরের প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ। গৃহমেধীরা কেবল তাদের পরিবারের স্বার্থে মগ্ন থাকায় অবশ্যই অন্যদের প্রতি মাৎসর্যপরায়ণ। তাই গৃহমেধীরা পরস্পরের প্রতি সদাশয়পূর্ণ নন, এবং বৃহত্তর ও সামগ্রিক বিবেচনায় এক সম্প্রদায় আর এক সম্প্রদায়ের প্রতি, এক সমাজ আর এক সমাজের প্রতি অথবা এক দেশ আর এক দেশের প্রতি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে সম্পর্কিত নয়। কলিযুগে গৃহীরা পরস্পরের প্রতি মাৎসর্যপরায়ণ, কেননা তারা পরম তত্ত্বজ্ঞান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অন্ধ বা উদাসীন। তাদের শ্রবণীয় রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বহু বিষয় রয়েছে, কিন্তু যথার্থ তত্ত্বজ্ঞানের অভাবে তারা জন্ম, মৃত্যু, জরা, ব্যাধি আদি জীবনের চরম দুঃখ সম্বন্ধীয় সমস্ত প্রশ্নগুলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন। প্রকৃতপক্ষে, জন্ম, মৃত্যু, জরা এবং ব্যাধিজনিত সমস্ত সমস্যার আত্যন্তিক সমাধান করাই মানব জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য। কিন্তু গৃহমেধীরা, জড়া প্রকৃতির প্রভাবে মোহাচ্ছন্ন হয়ে আত্মতত্ত্বজ্ঞান লাভের কথা সম্পূর্ণ ভুলে যায়। জীবনের সমস্ত সমস্যার চরম সমাধান হয় ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে, যে কথা শ্রীমদ্ভগবদগীতায় (৮/১৬) বলা হয়েছে-জড় জগতের সমস্ত দুঃখ-দুর্দশা-জন্ম, মৃত্যু, জরা এবং ব্যাধি সর্বতোভাবে উপশম হয়।
ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার উপায় হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবানের নাম, রূপ, গুণ, লীলা, পরিকর এবং বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে শ্রবণ করা। মূর্খ মানুষেরা তা জানে না। তারা কেবল অনিত্য বস্তুসমূহের নাম, রূপ ইত্যাদি সম্বন্ধে শুনতে চায়, এবং তাদের আত্যন্তিক কল্যাণ সাধনের জন্য তাদের শ্রবণের প্রবণতাকে কিভাবে নিযুক্ত করতে হয়, তা তারা জানে না। বিপথগামী মানুষেরা পরম তত্ত্বের নাম, রূপ, গুণ আদির সম্বন্ধে অসৎ সাহিত্য রচনা করে। তাই অন্যের প্রতি মাৎসর্যপরায়ণ হয়ে গৃহমেধীর জীবন-যাপন করা উচিত নয়; শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে আদর্শ গৃহস্থের জীবন-যাপন করাই মানুষের কর্তব্য।
 
নোয়াখালী চৌমুহনী তে রামঠাকুর সমাধি মন্দিরের স্মৃতিকথা 🏵️
পরমরাধ্য গুরুদেব শ্রী রামঠাকুরের তিরোধান তিথি।তিনি বৈশাখমাসের শুক্লপক্ষের অক্ষয়াতৃতীয়া তিথিতে নোয়াখালী চৌমুহনী তে তার মন্দিরের ৯০ বছর বয়সে দেহত্যাগ করেন।।।
এ অক্ষয়া তৃতীয়াতিথিতে তিনি তার মায়ের গর্ভে আসেন।এ তৃতীয়াতিথিতে তিনি তার গুরুদেব থেকে দীক্ষা গ্রহন করেন।আবার এ তৃতীয়াতে দেহত্যাগ করেন।।— at শ্রীশ্রী রামঠাকুর এর সমাধি মন্দির.

Post a Comment

Previous Post Next Post

Popular Items