হুলুধ্বনি ও শঙ্খ বাদ্য দিয়া নির্দিষ্ট ঘরের খাটের উপর বসান হইল। মাতাঠাকুরাণী জল ও গামলা লইয়া ঠাকুরের চরণযুগল ধৌত করিয়া 'বস্ত্রাঞ্চল দিয়া মুছাইয়া পরে মাথার কেশগুচ্ছ দ্বারা যত্নের সহিত মুছাইলেন। আমরা যাহারা পূর্বে নাম পাইয়াছি সকলে ঠাকুর প্রণাম করিলাম। আমাদের পিতামাতা যাইয়া ঠাকুর প্রণাম করিয়া একই নাম প্রাপ্ত হইলেন। তাঁহারা ঠাকুরের নিকট হইতে বাহির হইলে আমি আমার স্ত্রীকে লইয়া সেই কক্ষে প্রবেশ করতঃ দরজায় খিল আঁটিয়া দিলাম। আমার স্ত্রী শ্রীপাদপদ্মে প্রণামপূর্বক হাতজোড় করিয়া বলিল, "আমি নাম চাই।” ঠাকুর তখন নাম উচ্চারণ করিতে আরম্ভকরিলেন। সেও সঙ্গে সঙ্গে নাম উচ্চারণ করিল। আমি কাগজে পূর্বলিখিত নামের সঙ্গে মিলাইয়া দেখিলাম একই নাম। নাম দেওয়া শেষ করিয়া ঠাকুর আমার দিকে তাকাইয়া বলিলেন, এই নাম উনি স্বপ্নে পাইছিলেন। নাম দিবার পর উপদেশ প্রদানকালে আপনে উনার নিদ্রা ভঙ্গ করায়, উনি খুব কান্নাকাটি করছিলেন না কি? আমারেও পরীক্ষা কইরা নেওয়া ভাল। রামভাই স্মরণে