তাহাই প্রার্থনা করিতে পারেন । আপনাদের মনবাসনা নিশ্চয়ই পূর্ণ হইব ।। : - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর । জয় গুরু 🙏🙏🙏গুরু কৃপাহি কেবলম । 🌿 🌿🌿 শুভ সকাল । একদিন আমরা শ্রীঠাকুরের সহিত বেড়াইতে বাহির হইয়াছি । আমরা তাহার অনুসরণ করিতেছি । এক জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশ করিলাম । জঙ্গলের রাস্তা ভালো ছিল না । জঙ্গলের মধ্যে সাধারণত যেরূপ পথ থাকে তেমনি একটা সরু পথ ছিল । ক্রমশঃ আমরা জঙ্গলের মধ্যে প্রবেশ করলাম । আমার স্ত্রী ভীত হইয়া আমাকে প্রশ্ন করিল , এই জঙ্গলের মধ্যে শ্রীঠাকুর আমাদের লইয়া কোথায় যাইতেছেন ? আমি বলিলাম , ভয়ের কিছু নাই । ঠাকুর আমাদের সঙ্গে আছেন , তিনি যেখানে আমাদের লইয়া যাইতেছেন আমরা সেখানেই যাইতেছি । কিছু দূরে গিয়া দেখিলাম , জঙ্গলের মধ্যে একটি ছোট কালী মন্দির । মন্দিরে কোন লোক নাই , এমনকি নিকটে কোন বসতিও নাই । মন্দিরের দরজা বন্ধ । শ্রীঠাকুর মন্দিরের বারান্দায় উঠিয়া দরজা খুলিলেন । আমরাও ঠাকুরের পশ্চাতে আছি । দরজা খুলিতেই দেখিলাম , মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবীরুপে বিরাজ করিতেছেন একটি সুন্দর কালীমূর্ত্তি । শ্রীঠাকুর বলিলেন , এই মন্দিরের পুরোহিত এক জন বাঙ্গলী ব্রাহ্মণ । তিনি সময়মত এই মন্দিরে আসিয়া পূজা ও ভোগ দিয়া যান , তিনি এখানে থাকেন না । শ্রীঠাকুর আমাদেরকে মন্দিরের ভিতরে লইয়া গেলেন এবং বলিলেন , এইখানে প্রণাম করিয়া যাহা কামনা করেন , তাহাই প্রার্থনা করিতে পারেন । আপনাদের মনোবাসনা নিশ্চয়ই পূর্ণ হৈবো । আমরা প্রণাম করিয়া প্রার্থনা করিলাম । তখন একটু অন্ধকার হইতেছে বলিয়া , দ্রুত হাঁটিয়া বাসায় আসিলাম । শ্রীঠাকুর আমাদের সঙ্গে আছেন । কে কি প্রার্থনা করিয়াছি জানিতে পারিলাম না , জিজ্ঞাসাও করিতে পারিলাম না । বাসায় আসিয়া আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করিয়া জানিলাম , আমাদের দুইজনের প্রার্থনা একই । আমাদের প্রার্থনা ছিল , " হে ঠাকুর , চিরদিনই যেন তোমার শ্রীচরণে আমাদের স্থান থাকে । " জয়রাম " রোহিণী কুমার মজুমদার । " শ্রীগুরু শ্রীশ্রীরাম ঠাকুর ॥ " পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৭ হইতে ।