No title

 আপনারা আমারে ছাড়লে কি হইব , আমি আপনেগ ছাড়মু না । আপনারা কে কি করতাছেন , সবই আমি দর্পণের মত দেখতে পাই । তবুও কোন ভয় নাই । : - - শ্রীশ্রী রামঠাকুর । জয় গুরু জয় রাম । সুপ্রভাত শুভেচ্ছা । কৈবল্যনাথ কে? শ্রীশ্রী রামঠাকুর স্বয়ং কৈবল্যনাথ অর্থাৎ জগন্নাথ । শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথের শ্রীপটে আমরা দেখতে পাই শ্রীশ্রী ঠাকুর চাদর গায়ে আছেন । ভালো করে লক্ষ করলেই পরিষ্কার বোঝা যায় যে কৈবল্যনাথ জিউর কোন হাত নেই । তাই তিনি স্বয়ং জগন্নাথ । আর কৈবল্য কথার অর্থ মুক্তি ও কৈবল্যনাথ কথার অর্থ মুক্তিদাতা । শ্রীশ্রী ঠাকুরই স্বয়ং মুক্তিদাতা । একটা কথা ভাবতে অবাক লাগছে যে আজকাল অনেক চিঠিতে লেখা হচ্ছে কৈবল্যনাথের মোহন্ত মহারাজ । অথচ আগে লেখা হতো কৈবল্যধামের মোহন্ত মহারাজ । কৈবল্যনাথ হচ্ছেন স্বয়ং ভগবান জগন্নাথ । তাই কৈবল্যনাথের মোহন্ত কখনও হওয়া উচিৎ নয় , কেননা ভগবানের মোহন্ত কথার কোন প্রশ্নই উঠে না । ভগবান সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মালিক । তাই কৈবল্যধামের মোহন্ত লেখাই বাঞ্ছনীয় । আমি মূর্খ , তবুও আমার ভিতরের উপলব্ধি থেকে কথাটা ব্যক্ত করলাম । তাই আমি ক্ষমা প্রার্থী । যাক আমরা পরম সৌভাগ্যবান যে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের আশ্রয় লাভ করেছি । কিন্তু আমরা বুঝিলাম না তাঁকে । অথচ এরকম পরম করুণাময় , দয়াময় ও আশ্রিতজনের /আশ্রিতাজনের সকল সন্তাপ হরণকারী ভগবানকে এখনও কিছুই বুঝতে পারছিনা । কত দয়াল তিনি । কেননা তিনি আমাদের সকলকে সর্বদা অভয় প্রদান করেছেন এবং বলেছেন, " আপনারা আমারে ছাড়লে কি হইব , আমি আপনাগো ছাড়ুম না । আপনারা কে কি করতাছেন , সবই আমি দর্পণের মত দেখিতে পাই , তবুও কোন ভয় নাই , আমি সর্বদা আপনাদের কাছেই আছি। কেবল অনন্য লক্ষ রাইখ্যা নাম কইরা যান । আমি আপনাগো সময়ে উদ্ধার করুম ।" তাই আসুন আমরা সবাই শ্রীশ্রী রামঠাকুরের উপদেশ বাণী শিরোধার্য মেনে অক্ষরে অক্ষরে পালন করি এবং একমাত্র শ্রীগুরু প্রদত্ত " শ্রীনামকে " আঁকড়ে ধরে এগিয়ে চলবো । তবেই হবে আমাদের জীবনের সার্থকতা , নচেৎ নয় । সকলকে সশ্রদ্ধ প্রণাম ও আন্তরিক প্রাণের ভালবাসা জানাই । জয় রাম । ঠাকুর প্রসঙ্গ । প্রদ্যোৎ কুমার ভৌমিক (চন্দন ভৌমিক), সম্পাদক , শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর আশ্রম , হরিদ্বার , উত্তরাখণ্ড ।

Post a Comment

Previous Post Next Post